1. arjunkumer1977@gmail.com : Arjun :
  2. bd.dainikonlineshiksha@gmail.com : দৈনিক অনলাইন শিক্ষা :
  3. yesamahmud1986@gmail.com : Yousuf :
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:২৬ অপরাহ্ন
বিজ্ঞাপন নোটিশ :
* * সাংবাদিক নিয়োগ * * দৈনিক অনলাইন শিক্ষাতে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে *** স্বনামধন্য দৈনিক অনলাইন শিক্ষা / অনলাইন নিউজ পত্রিকাতে জেলা- উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী আবশ্যক *** শুধুমাত্র আগ্রহী প্রার্থী সদ্যতোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও ভোটার আইডি কার্ড এর কালার এপিঠ ওপিঠ ফটোকপি এবং ইংরেজিতে সিভি গ্রহণযোগ্য নয়, শুধুমাত্র বাংলায় লেখা জীবন বৃত্তান্ত সিভি পাঠান দৈনিক অনলাইন শিক্ষার এই জিমেইল নাম্বারে- bd.dainikonlineshiksha@gmail.com *** আরো বিস্তারিত তথ্যের জন্য ও দৈনিক অনলাইন শিক্ষাতে সংবাদকর্মী হিসেবে নিয়োগ পেতে সরাসরি দৈনিক অনলাইন শিক্ষার সম্পাদকের মুঠোফোনে যোগাযোগ করুন- 01886 - 902317 ** সকল প্রকার নিউজ পাঠান দৈনিক অনলাইন শিক্ষার এই জিমেইল নাম্বারে-dainikonlineshiksha@gmail.com শিক্ষাবিষয়ক ওয়েবসাইট দৈনিক অনলাইন শিক্ষা / সত্য প্রকাশে আপোসহীন **
শিরোনাম -
চট্টগ্রামে এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণে সাড়ে ১৪ হাজার আবেদন বাংলাদেশ ছাএলীগের ৩০ তম সম্মেলনের শুভউদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পলোগ্রাউন্ডের জনসভায় চট্টগ্রাম বাসীকে২৯ টি উন্নয়ন প্রকল্প উপহার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আজ গণতন্ত্র মুক্তি দিবস ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস উদযাপনে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে ‘মা’ দিবসে সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে মায়ের ভূমিকা অপরিসীমঃ অ্যাড.অরুণাংশু দত্ত টিটো বাড়ির কাছে ৩০০ শিক্ষককের সুপারিশ চলতি সপ্তাহে ঠাকুরগাঁও জেলায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জ সরকারি কলেজে নবাগত আট শিক্ষককে সংবর্ধনার মাধ্যমে রবণ সভা পীরগঞ্জে ছিন্নমূল অসহায় নারী-পুরুষের মাঝে কম্বল বিতরণ

সরকারি চাকরিতে তিনটি জিনিস প্রয়োজন- সততা, মমতা ও দক্ষতা

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২২
  • ৪৫ ৭১৫ বার পড়া হয়েছে

সরকারি চাকরিতে তিনটি জিনিস প্রয়োজন- সততা, মমতা ও দক্ষতা

পিএসসির প্রতি তরুণ ও চাকরিপ্রার্থীদের যে আস্থা তৈরি হয়েছে সেটি ধরে রাখতে হবে। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক বিদায়ের আগে আমাকে একটা সাক্ষাতকার দেন। সাক্ষাতকারের শুরুতেই এই কথাটা ছিল। আস্থা ধরে রাখার সেই আহবানটা ছিলো পিএসসির প্রতি। কথাটা যে কতেটা জরুরি ছিল সেটা আশা করি তরুণ প্রজন্ম আজকে হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।

২০১৬ সালের ২ মে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেন মোহাম্মদ সাদিক। এর আগে ২০১৪ সালের ৩ নভেম্বর থেকে কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। ২০২০ সালের ১৬ সেপ্টম্বরে চেয়ারম্যান হিসেবে তার শেষ কর্মদিবস ছিল। সেইদিন আমি তাঁর দীর্ঘ সাক্ষাতকারটা নিয়েছিলাম। ২০২০ সালের ১৭ সেপ্টম্বর সাক্ষাতকারটা নিয়েছিলাম। সেই সাক্ষাতকারটা আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে।

আমি প্রশ্ন করেছিলাম পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবে সবচেয়ে বড় অর্জন কী? মোহাম্মদ সাদিক আমাকে বলেছিলেন, ‘পিএসসির প্রতি তরুণ ও চাকরিপ্রার্থীদের আস্থা অনেক বেড়েছে। গ্রামের একজন কৃষকের সন্তানও মনে করেন, ভালো করে লেখাপড়া করলে কোনো তদবির ছাড়া চাকরি হবে। এই যে আস্থা, এটি একটি বিরাট বিষয়। আমি মনে করি, আমার সময়ে সেই আস্থার জায়গাটা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি। এই কাজে আমার সহকর্মী থেকে শুরু করে সবাই আমাকে সহযোগিতা করেছেন। বিশেষ করে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে যারা ছিলেন তারা কোনদিন তদবির করেননি।’

আমার দীর্ঘ দুই দশকের সাংবাদিকতা জীবনের অভিজ্ঞতায় বলতে পারি পিএসসির প্রতি এতো আস্থা নিকট অতীতে আর কখনোই ছিলো না যেটা সাদিক স্যারের আমলে তৈরি হয়েছে। এই দেশের সব প্রতিষ্ঠান যেখানে ধ্বংস হয়েছে সেখানে সাদিক স্যার পিএসসিকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন।

আমি আপনাদের সময়টা মনে করিয়ে দেই। দেশে তখন সব পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে বিশেষ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তখন যতো পরীক্ষা নিতো তার বেশিরভাগের প্রশ্ন ফাঁস হতো। আর সেই সময় বিসিএসের প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ হয়ে যায়। কীভাবে সেটা সম্ভব হলো জানতে চাইলে মোহাম্মদ সাদিক বলেছিলেন, ‘আমি চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দেওয়ার পর বিসিএস পরীক্ষার কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। এমনকি তৈরি হয়নি বিতর্কিত কোনো প্রশ্নপত্র।’

কীভাবে এটি সম্ভব করলেন জানতে চাইলে বলেছিলেন, ‘একটি পরীক্ষার জন্য আমরা আট-দশ সেট প্রশ্নপত্রও করেছি। পরীক্ষার আগে লটারি করে ঠিক করা হয়েছে কোন প্রশ্নে পরীক্ষা হবে। এরপর সেটা সব বিভাগীয় কমিশনারকে জানানো হয়েছে। ফলে, কোন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে আগে কারোরই জানার সুযোগ ছিল না। এমনকি পিএসসিরও কারোও না। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ এটি বড় সাফল্য ছিল।’

মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘এমন এক সময়ে আমরা সেটা করেছি যখন দেশের নানা পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। কিন্তু, বিসিএসের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। প্রশ্নকারক, মডারেটর, পরীক্ষক, পরিদর্শক, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে আলাদা আলাদা বৈঠক করে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হতো। সবার সহযোগিতায় এটা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া, মৌখিক পরীক্ষার ক্ষেত্রেও ছিল সতর্কতা। পরীক্ষার দিন সকালে বোর্ড নির্ধারণ করা হতো। ফলে, কে কোন বোর্ডে পরীক্ষা দেবে তা জানার সুযোগ ছিল না’

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
দৈনিক অনলাইন শিক্ষা-অনলাইন নিউজ পত্রিকার যে কোনো লেখা, বা, ছবি, ও ভিডিও , অনুমতি ছাড়া কপি করা , বা, বে-আইনি ভাবে ব্যবহার করা আইনিভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- ২০১৫
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট
আপনার পছন্দের ভাষা পরিবর্তন করুন Translate »