1. arjunkumer1977@gmail.com : Arjun :
  2. bd.dainikonlineshiksha@gmail.com : দৈনিক অনলাইন শিক্ষা :
  3. yesamahmud1986@gmail.com : Yousuf :
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
বিজ্ঞাপন নোটিশ :
* * সাংবাদিক নিয়োগ * * দৈনিক অনলাইন শিক্ষাতে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে *** স্বনামধন্য দৈনিক অনলাইন শিক্ষা / অনলাইন নিউজ পত্রিকাতে জেলা- উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী আবশ্যক *** শুধুমাত্র আগ্রহী প্রার্থী সদ্যতোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও ভোটার আইডি কার্ড এর কালার এপিঠ ওপিঠ ফটোকপি এবং ইংরেজিতে সিভি গ্রহণযোগ্য নয়, শুধুমাত্র বাংলায় লেখা জীবন বৃত্তান্ত সিভি পাঠান দৈনিক অনলাইন শিক্ষার এই জিমেইল নাম্বারে- bd.dainikonlineshiksha@gmail.com *** আরো বিস্তারিত তথ্যের জন্য ও দৈনিক অনলাইন শিক্ষাতে সংবাদকর্মী হিসেবে নিয়োগ পেতে সরাসরি দৈনিক অনলাইন শিক্ষার সম্পাদকের মুঠোফোনে যোগাযোগ করুন- 01886 - 902317 ** সকল প্রকার নিউজ পাঠান দৈনিক অনলাইন শিক্ষার এই জিমেইল নাম্বারে-dainikonlineshiksha@gmail.com শিক্ষাবিষয়ক ওয়েবসাইট দৈনিক অনলাইন শিক্ষা / সত্য প্রকাশে আপোসহীন **
শিরোনাম -
ইন্দুরকানীতে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ‘জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন’ যাত্রাশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ পিরোজপুর জেলা আ. লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন ২৭ শে নভেম্বর, আউয়ালেই ভরসা নেতা কর্মীদের দিনাজপুরের বিরলে বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবন থেকে ২ শিশুর মরদেহ উদ্ধার দীর্ঘ কয়ক বছর পর হাবিপ্রবিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রীতিভোজ এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপএ গায়েব, দুই কক্ষ পরিদর্শক বরখাস্ত ঠাকুরগাঁওয়ে ‘মা’ সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চুড়ান্ত ফল আজ প্রকাশ হচ্ছে না প্রশ্ন সাম্প্রদায়িক উস্কানিঃ পাঁচ শিক্ষককে পাবলিক পরীক্ষা সংক্রান্ত সব দায়িত্ব থেকে আজীবন অব্যাহতি

জানুয়ারিতে নতুন পাঠ্যবই ‘অনিশ্চিত’

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৬০ ৭১৫ বার পড়া হয়েছে

জানুয়ারিতে নতুন পাঠ্যবই ‘অনিশ্চিত’

টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আটকে আছে এনসিটিবি
জানুয়ারিতে পাঠ্যবই ‘অনিশ্চিত’

অনলাইন ডেস্ক রিপোর্ট

প্রতি বছর এই সময়ে ৬ থেকে ৮ কোটি বই ছাপা হয়ে যায়। এর মধ্যে এগিয়ে থাকে প্রাথমিক স্তর। কিন্তু এবার এখন পর্যন্ত একটি বইও ছাপানো হয়নি। অন্যদিকে বই ছাপানোর প্রতিষ্ঠান নির্বাচন প্রক্রিয়া এখনও মাঝপথে আছে। ছয়টি টেন্ডারের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে মাত্র দুটির প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে। বাকিগুলো মাঝপথে। ফলে সবমিলে আগামী বছর যথাসময়ে শিশুরা বই পাবে কি না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নুয়ারিতে নতুন পাঠ্যবই ‘অনিশ্চিত’ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আটকে আছে এনসিটিবি জানুয়ারিতে পাঠ্যবই ‘অনিশ্চিত’
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এবার মোট ৩৩ কোটি ২৮ লাখ বই ছাপানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

জানুয়ারিতে নতুন পাঠ্যবই ‘অনিশ্চিত’

অবশ্য এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলাম দাবি করেছেন, যথা সময়েই নয়, ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে পাঠ্যবই ছাপানোর কাজ শেষ হয়ে যাবে। বছরের শুরুতে এ ব্যাপারে আমরা যে রুটিন তৈরি করেছি, তা এখন পর্যন্ত ঠিকঠাক মতোই অনুসৃত হচ্ছে।

আরো পড়ুন
সহকারী শিক্ষক নেবে বেপজা পাবলিক স্কুল

জানা গেছে, অন্যান্য বছর বই ছাপানোর জন্য প্রিন্টারদের সর্বোচ্চ ৯৮ দিন সময় দেওয়া হয়। এবার দেওয়া হয়েছে সর্বনিম্ন ৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৭২ দিন। যে ছয় টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ চলছে, সেগুলোর মধ্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, প্রাক-প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্তরের একটি অংশের বইয়ের জন্য টেন্ডারাকারীদের কাছে নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড (এনওএ) চাওয়া হয়েছে।

২৫ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিকের আরেক টেন্ডারের এনওএ দেওয়া শুরুর কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত মন্ত্রণালয় থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের দুটি টেন্ডারের দলিলপত্র অনুমোদন দেওয়া

নুয়ারিতে নতুন পাঠ্যবই ‘অনিশ্চিত’
টেন্ডার প্রক্রিয়ায় আটকে আছে এনসিটিবি
জানুয়ারিতে পাঠ্যবই ‘অনিশ্চিত’

অর্থাৎ, এবার এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানই নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, এনওএ দেওয়ার পরে চুক্তি করা, পাণ্ডুলিপিসহ আরও কিছু কাজ বাকি থাকে। এসব কাজ শেষ করতে আইন অনুযায়ী প্রায় দেড় মাস সময় লাগে। এই হিসাবে কবে বই মুদ্রণ শুরু হবে সেটি এখনও অনিশ্চিত।

জানুয়ারিতে নতুন পাঠ্যবই ‘অনিশ্চিত’

এ ব্যাপারে মুদ্রণ শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক জাগো নিউজকে বলেন, অন্যান্য বছর এই সময়ে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ ছাপা হয়ে যায়। কিন্তু এবার সরকার চুক্তিই করতে পারেনি। তাই বই নিয়ে যে সংকট অপেক্ষা করছে সেটি বোঝার জন্য বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই।

জানুয়ারিতে নতুন পাঠ্যবই ‘অনিশ্চিত’

সংশ্লিষ্টরা জানান, এনসিটিবির ধীরগতির টেন্ডার প্রক্রিয়া ও নতুন শিক্ষাক্রমের বই প্রণয়নে বিলম্ব টেন্ডার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। এর সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে বই ছাপানোর উপকরণের বর্ধিত মূল্য। যদিও এরপরও ছাপাখানার মালিকরা প্রাক্কলিত দরের তুলনায় গড়ে ২৫ শতাংশ কম টাকায় কাজ করার জন্য টেন্ডার দাখিল করেছেন। এ অবস্থায় আগামী বছর নিম্নমানের বই ছাপা হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এদিকে অভিযোগ আছে, এনসিটিবির কারণে প্রাক-প্রাথমিক স্তরের কোমলমতি শিশুরা নিম্নমানের পাঠ্যবই ও অনুশীলন খাতা পাচ্ছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের চেয়ে প্রাক-প্রাথমিকের শিশুদের বইয়ের আকার তুলনামূলক বড়। এটি ছাপতে তুলনামূলক বড় মেশিন প্রয়োজন হয়। এটিকে ২৩ বাই ৩৬ ইঞ্চি মেশিন বলা হয়। এবার যে ১২টি প্রতিষ্ঠান কাজ পেয়েছে সেগুলোর মধ্যে মাত্র একটির ওই সাইজের মেশিন আছে। এর আগেও একইভাবে যাদের নির্দিষ্ট মেশিন নেই তাদের রহস্যজনক কারণে কাজ দিয়েছে এনসিটিবি।

ফলে কয়েক বছর ধরেই নির্দিষ্ট মডেলের বই ছাপা হচ্ছে না। কিন্তু জেনেশুনেই সংস্থাটির কর্মকর্তারা নিম্নমানের বই শিশুদের হাতে তুলে দিচ্ছেন।

মূলত এনসিটিবির উৎপাদন নিয়ন্ত্রক সাইদুর রহমানের কারণেই এমনটি হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে সাইদুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, নির্দিষ্ট আকারের মেশিন বাংলাদেশে কম আছে। এ কারণেই সাইজ উল্লেখ করা হয় না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
দৈনিক অনলাইন শিক্ষা-অনলাইন নিউজ পত্রিকার যে কোনো লেখা, বা, ছবি, ও ভিডিও , অনুমতি ছাড়া কপি করা , বা, বে-আইনি ভাবে ব্যবহার করা আইনিভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত- ২০১৫
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট
আপনার পছন্দের ভাষা পরিবর্তন করুন Translate »